শিশুর প্রতিভা বিকাশে করণীয়

কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম: আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ।শিশুকে ভাল করে তৈরি করতে তাকে একটি সুখী ও সুন্দর জীবন দিতে হবে।শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কঠোর শাসন,নিয়ন্ত্রণ, প্রতিকূল পরিবেশ শিশুকে, শিশুর জীবনকে অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দেয়। আনন্দের মাঝে শিশু শিখতে চায়।আনন্দ ও শিশুবান্ধব অনুকূল পরিবেশ ব্যতিত শিশুর প্রতিভা বিকাশ অসম্ভব। শিশুর প্রতিভা বিকাশের প্রথম সোপান হলো তার শিক্ষা।এই শিক্ষা শিশু বিভিন্নভাবে গ্রহণ করতে পারে।একসময় শিশুকে নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার মধ্যে রেখে বিদ্যা অর্জন করার পদ্ধতি আমাদের দেশে চালু ছিল।কিন্তু বর্তমানে তা নেই বললেই চলে।এ ধরণের শিক্ষাকে আধুনিক শিক্ষাবিদরা…

আপনার জন্য আরো সংবাদ

কার্যকর ও শক্তিশালী জাতিসংঘ চাই

কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম: বিশ্ব যখন আধিপত্যবাদী শক্তির কাছে পরাস্ত,যখন নিরীহ সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রশক্তির যাঁতাকলে পিষ্ট,যখন সংঘাত ও যুদ্ধবিগ্রহে মারা পড়ছিলো লাখো লাখো মানুষ তখনই বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র,মানবাধিকার, সাম্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। দেশে দেশে বিদ্যমান সংঘাত, সংঘর্ষ এবং যুদ্ধকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা হলেও বাস্তবতার নিরিখে জাতিসংঘ তার সেই সব উদ্দেশ্য পূরণে কতটুকু সফল হয়েছে তা দৃশ্যমান।পরিমাপ করলে ব্যর্থতার ভাগই বেশি হবে। জাতিসংঘ বিভিন্ন সময় ব্যবহৃত হয়েছে বড় রাষ্ট্রগুলোর প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে।তাই যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ করার…

আপনার জন্য আরো সংবাদ

এগিয়ে যান,এগিয়ে নেন সাহসীদের

কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম: এক সময় ম্যাজিস্ট্রেট রোকন-উদ-দৌলার নাম শুনলেই অন্তর-আত্মা কেঁপে উঠতো খাদ্যে ভেজাল মেশানো অসাধু ব্যবসায়ীদের। সবসময়ই তারা আতঙ্কে থাকতো- এই বুঝি তিনি এলেন আর ধরা পড়ে গেল সব। এখন আরেকজন এলেন।এসেই ভেজাল থেকে শুরু করে সকল সেক্টরে নিশানা লাগালেন।ধরছেন অসাধু ব্যবসায়ী ও দুর্নীতিবাজদের।সেদিন ঢাকায় অভিজাত (!) জুয়ার আসরে হানা দিয়ে রাঘববোয়ালদের মুখোশ উন্মোচন করেন,করে যাচ্ছেন।এসব সফলতার মূলনায়ক হলেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সরওয়ার আলম।তাঁর আগমনের খবরে যেন অসৎ লোকদেের ঘুম হারাম! এগিয়ে যেতে দিন তাকে।বড় কিছু না হোক অন্তত সাধারণ মানুষকে স্বস্তির জায়গাটা দিন।হুট করে, ঠুনকো…

আপনার জন্য আরো সংবাদ

রোহিঙ্গাদের সমাবেশ, দেশের নিরাপত্তার বিষয়ে ভাবতে হবে

সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা ভয়ঙ্কর ও আশ্রিত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে আরাকান থেকে পালিয়ে এসে জানে বাঁচতে কক্সবাজারের ৩২টি ক্যাম্পে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। এসব ক্যাম্পের ভেতরে থেকেই তারা প্রতিনিয়ত ঘটাচ্ছে সহিংসতা। বিভিন্ন ক্যাম্পের পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়েছে যে, নিরাপত্তার কথা ভেবে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদেরও সাক্ষাৎ করতে দেয়না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ছাড়া বিভিন্ন এনজিও তাদের অর্থের সঙ্গে বিভিন্ন দেশি অস্ত্রও সরবরাহ করছে বলে জানা যায়। এসব অস্ত্রের মধ্যে দেশীয় কাটা ও লম্বা বন্দুক, দা, কুড়াল, ছুরি, খুন্তি, শাবল, নিড়ানি, লোহার রড উল্লেখযোগ্য।…

আপনার জন্য আরো সংবাদ