গাইবান্ধার ইতিহাসের স্বাক্ষী রাজবাড়ি গুলি

সাহিম রেজা (গাইবান্ধা প্রতিনিধি): গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হাট ভরতখালীর জমিদার রাজেস কান্ত রায়ের জমিদার কাচারীবাড়ীটি যে বাড়ীটিতে ছিল জমিদারী। জমিদারের কাছে নানা প্রয়োজনে প্রজাদের আনাগোনা লেগেই থাকত। পরিবার পরিজন আর আগতদের পদভারে মুখরিত থাকত জমিদার কাচারীবাড়ী। দেশ বিভক্তের পর পরিবার নিয়ে ভারতে চলে যাওয়ার প্রায় আড়াইশ বছর অতিবাহিত হলেও কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অপরুপ কারুকাজে খচিত বাড়ীটির জানালা দরজা না থাকলেও নিখুত গাথুনি আজও মন কারে। কালের বিবর্তনে বাড়ীটির ভিতরে এখন শুধুই জঙ্গল আর অন্ধকার। জানাযায়, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সদর বোনারপাড়া থেকে ৭কি.মি পূর্ব উত্তরে মুক্তিনগর ইউনিয়নের হাটভরতখালীতে অবস্থিত…

আপনার জন্য আরো সংবাদ

গাইবান্ধার একটি ঐতিহাসিক জায়গা বর্ধনকুঠি

সাহিম রেজা (গাইবান্ধা প্রতিনিধি): সুদূর প্রাচীন কাল থেকে (বর্তমান) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাধীন বর্ধনকুঠি তৎকালীন রাজা বাদশাদের গূরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিট ছিল। ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে এখানে রাজা রামপাল এখানে বাসুদেব মন্দির নির্মাণ করেন। তখন রাজা মানসিংহ বাংলার সুবাদার ছিলেন। ইংরেজ আমলে তা জমিদার বাড়ী হিসেবে খ্যাতি পায় । পুরাকালে পুন্ড্র বর্ধন , মুসলিম বিজয়ের প্রাক্কালের বরেন্দ্র এবং আজকের বাংলাদেশ উত্তরাঞ্চলের গাইবান্ধা জেলার ইতিহাস সাদৃত। গোবিন্দগঞ্জ থানা বর্তমানে তার প্রাচীন এতিহ্যের অনেক কিছু হারাতে বসেছে। নজির হিসেবে বর্ধন কুটি অন্যতম । বিধ্বস্ত রাজবাড়রি উন্মুক্ত অংশের বিভিন্ন রকমের সুসজ্জিত ছায়ঘন বৃক্ষ, ফাকে ফাকে শিল্পীর নিপুন…

আপনার জন্য আরো সংবাদ

বেকার ছেলের ভালোবাসা

শ্রাবণী গিফটের বক্সটা খুলে দেখলো তারপর মুখে একটা অস্পষ্ট হাসি হেসে বললো,-পিয়াস একটা কথা বললে কিছু মনে করবে না তো? আমি একমনে অপলক দৃষ্টিতে শ্রাবণীর দিকে তাকিয়ে বললাম,– তুমি আমাকে কুত্তার বাচ্চা বলে গালি দিলেও আমি কিছু মনে করবো না। শ্রাবণী মাথাটা নিচু করে হাতের তালু চুলকাতে চুলকাতে বললো,– আসলে তুমি আমাকে যে গিফটগুলো দাও সেগুলো কেমন যেনো পুরোনো পুরোনো। লোশন ফেসওয়াশ শ্যাম্পু বডি স্প্রে যেগুলোই দাও সবগুলোতে অর্ধেক অর্ধেক থাকে। আমি শ্রাবণীর কথা শুনে ওর হাতটা ধরে বললাম,– তুমি আমি সারাজীবন একসাথে থাকার শপথ নিয়েছি। আমি চাই তুমি সবসময়…

আপনার জন্য আরো সংবাদ